আজঃ ৩রা কার্তিক ১৪২৫ - ১৮ই অক্টোবর ২০১৮ - সকাল ১০:১১

গাড়ির লাইসেন্স পরীক্ষা করছিল শিক্ষার্থীরা

Published: আগ ০১, ২০১৮ - ৪:৪০ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন :: বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় চতুর্থ দিনের মতো অবস্থান নিয়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড় ও টঙ্গি, যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এবং বিমানবন্দর গোলচত্বরের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে গোলচত্বরে আশপাশের কয়েকটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ করার পাশাপাশি বাস ড্রাইভারদের লাইসেন্সও পরীক্ষা করেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে বিমানবন্দরের সামনে গোলচত্বরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা পুলিশের একটি গাড়িরও লাইসেন্স দেখতে চান।

সজল নামে বিক্ষোভকারী এক ছাত্র বলেন, বিভিন্ন গাড়ির চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রুট পারমিট পরীক্ষা করছেন তারা। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি যাতে রাস্তায় চলতে না পারে সে লক্ষ্যে তারা এ কাজ করছেন।

বিমানবন্দরের গোলচত্বরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ চান তারা।

বুধবার সকাল থেকে ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড় ও টঙ্গি এবং যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ওইসব এলাকার সড়কগুলো স্থবির হয়ে পড়ে।

এদিকে সমকালের টঙ্গী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, টঙ্গী সরকারি কলেজ ও আশপাশের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-গাজীপুর সড়কের পশ্চিমপাশে অবস্থান নিয়েছে। এতে ওই রাস্তা দিয়ে ঢাকার দিকে যাওয়া সব ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে। এছাড়া উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড়েও রাস্তায় শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি জানান।

গত রোববার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাসের চাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) ও দিয়া খানম ওরফে মিম (১৬) নিহত হয়। ঘটনার পর নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বিষয়টিকে নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেন।

এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তিন দিন ধরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পুরো ঢাকা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। মঙ্গলবারও ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন :: বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় চতুর্থ দিনের মতো অবস্থান নিয়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড় ও টঙ্গি, যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এবং বিমানবন্দর গোলচত্বরের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে গোলচত্বরে আশপাশের কয়েকটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ করার পাশাপাশি বাস ড্রাইভারদের লাইসেন্সও পরীক্ষা করেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে বিমানবন্দরের সামনে গোলচত্বরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা পুলিশের একটি গাড়িরও লাইসেন্স দেখতে চান।

সজল নামে বিক্ষোভকারী এক ছাত্র বলেন, বিভিন্ন গাড়ির চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রুট পারমিট পরীক্ষা করছেন তারা। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি যাতে রাস্তায় চলতে না পারে সে লক্ষ্যে তারা এ কাজ করছেন।

বিমানবন্দরের গোলচত্বরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ চান তারা।

বুধবার সকাল থেকে ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড় ও টঙ্গি এবং যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ওইসব এলাকার সড়কগুলো স্থবির হয়ে পড়ে।

এদিকে সমকালের টঙ্গী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, টঙ্গী সরকারি কলেজ ও আশপাশের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-গাজীপুর সড়কের পশ্চিমপাশে অবস্থান নিয়েছে। এতে ওই রাস্তা দিয়ে ঢাকার দিকে যাওয়া সব ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে। এছাড়া উত্তরা হাউস বিল্ডিং মোড়েও রাস্তায় শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি জানান।

গত রোববার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাসের চাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) ও দিয়া খানম ওরফে মিম (১৬) নিহত হয়। ঘটনার পর নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বিষয়টিকে নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেন।

এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তিন দিন ধরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পুরো ঢাকা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। মঙ্গলবারও ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর