আজঃ ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ১:৪৮

কোরিয়া ফের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে: যুক্তরাষ্ট্র

Published: জুলা ৩১, ২০১৮ - ১:৪৫ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: পিয়ংইয়ংয়ের বাইরে সানুমদংয়ে এই কারখানার স্যাটেলাইট ইমেজ। উত্তর কোরিয়া নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। সম্প্রতি স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি ও নতুন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সংস্থাটি এমনটা দাবি করছে বলে গতকাল সোমবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে জানানো হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে জানানো হয়, পিয়ংইয়ং একটি বা দুটি তরল জ্বালানি দ্বারা চালিত আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে।

পিয়ংইয়ংয়ের বাইরে সানুমদংয়ে এই কারখানা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম—এমন ক্ষমতাসম্পন্ন উত্তর কোরিয়ার প্রথম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির কাজ চলছে।

গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরে কিমের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরের দিন ওয়াশিংটনে ফিরে টুইট করেন, ‘উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে আর কোনো পারমাণবিক হুমকি নেই। এবার সবাই শান্তিতে ঘুমান।’ কিন্তু কিম তাঁর দেশে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বন্ধের কোনো ঘোষণা প্রকাশ্যে দেননি। কিমের কাছ থেকে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বিষয়ে কোনো দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত না করার জন্য দেশের অভ্যন্তরে সমালোচিত হন ট্রাম্প।

পোস্টের খবরে বলা হয়, ন্যাশনাল জিওস্পেশাল-ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কাছ থেকে পাওয়া ছবির ভিত্তিতে মার্কিন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘সেখানে আগের মতোই কাজ চলছে, আমরা দেখেছি।’

গত জুনের শেষ দিকে পিয়ংইয়ংভিত্তিক ৩৮ নর্থ নামের উত্তর কোরিয়ার নামকরা পর্যবেক্ষণ গ্রুপের প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়, দেশটি তাদের পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রের উন্নয়নের কাজ ‘দ্রুততার’ সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে। গড়ে তুলছে নতুন অবকাঠামো ।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: পিয়ংইয়ংয়ের বাইরে সানুমদংয়ে এই কারখানার স্যাটেলাইট ইমেজ। উত্তর কোরিয়া নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। সম্প্রতি স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি ও নতুন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সংস্থাটি এমনটা দাবি করছে বলে গতকাল সোমবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে জানানো হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে জানানো হয়, পিয়ংইয়ং একটি বা দুটি তরল জ্বালানি দ্বারা চালিত আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে।

পিয়ংইয়ংয়ের বাইরে সানুমদংয়ে এই কারখানা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম—এমন ক্ষমতাসম্পন্ন উত্তর কোরিয়ার প্রথম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির কাজ চলছে।

গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরে কিমের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরের দিন ওয়াশিংটনে ফিরে টুইট করেন, ‘উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে আর কোনো পারমাণবিক হুমকি নেই। এবার সবাই শান্তিতে ঘুমান।’ কিন্তু কিম তাঁর দেশে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বন্ধের কোনো ঘোষণা প্রকাশ্যে দেননি। কিমের কাছ থেকে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বিষয়ে কোনো দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত না করার জন্য দেশের অভ্যন্তরে সমালোচিত হন ট্রাম্প।

পোস্টের খবরে বলা হয়, ন্যাশনাল জিওস্পেশাল-ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কাছ থেকে পাওয়া ছবির ভিত্তিতে মার্কিন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘সেখানে আগের মতোই কাজ চলছে, আমরা দেখেছি।’

গত জুনের শেষ দিকে পিয়ংইয়ংভিত্তিক ৩৮ নর্থ নামের উত্তর কোরিয়ার নামকরা পর্যবেক্ষণ গ্রুপের প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়, দেশটি তাদের পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রের উন্নয়নের কাজ ‘দ্রুততার’ সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে। গড়ে তুলছে নতুন অবকাঠামো ।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর