আজঃ ১লা কার্তিক ১৪২৫ - ১৬ই অক্টোবর ২০১৮ - রাত ১১:৪৬

কেন এত বেপরোয়া গতি?

Published: সেপ্টে ২৪, ২০১৮ - ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

মো.মশাহিদ আলী :: দেশের প্রতিটি সড়ক মহাসড়কে দুই, তিনচাকার মোটরযান চলাচল করার জন্যে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়েছে।তেমনি দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো সিলেট নগরীতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশ বেড়েছে। বাহনটি দিন দিন যেমন জনপ্রিয় হচ্ছে, এর চালকদের বিরুদ্ধে বেপরোয়া আচরণের অভিযোগও জোরালো হচ্ছে।

একই সঙ্গে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ঘটনার পরিসংখ্যানও ভারী হচ্ছে।মোটরসাইকেল চালকের পিছনে অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় মহিলারা বসে থাকেন।তাদের কাপড় চাকার সাথে ফেসে গেলে নিজেদের অসর্তকতার ফলে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।গতকাল সিলেটে একজন মহিলার মৃত্যুও হয়েছে একই কারনে।

যে কারণে এত বেপরোয়া হতে হয় সেগুলো হলো দ্রুতগতিতে কর্মস্থল বা কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছতে অনেকে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালায়। অনেক সময় আরোহীর সংখ্যা দুইয়ের বেশি হয়। মোবাইল ফোনে প্রচুর কথা বলে বাইকচালক ও আরোহীরা। এটাও দুর্ঘটনার কারণ। তীব্র যানজটে নগরীতে দ্রুতগতিতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের কোনো বিকল্প নেই। মোটরসাইকেল একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। চার চাকার বাহনের তুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঝুঁকি ৩০ গুণ বেশি।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ পেলেই বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো কিংবা ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো নিত্যঘটনা।

পথচারীদের অভিযোগ, অনেক মোটরসাইকেল আরোহী ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো তাদের অধিকার বলে মনে করে। ঈদ বা কোনো উৎসবে নবীন বা অদক্ষ চালকরা বেপরোয়া গতিতে মোটরবাইক চালিয়ে থাকে। তীব্র হর্ন দিয়ে দ্রুতগতিতে ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চলার দৃশ্য যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। স্কুল, কলেজ,গুরুত্বপূর্ণস্থান অতিরিক্ত বিকট শব্দের হর্ন দেওয়া। অদক্ষ চালক, অবৈধ ওভারটেক, পুরনো যন্ত্রাংশ, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ড্রাইভ করতে থাকা প্রভৃতি কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা এ দুর্ঘটনা কমাতে চালক ও পথচারীদের আরো সতর্ক হতে হবে।

ছবি:এসএম আকবর আলী

Facebook Comments

মো.মশাহিদ আলী :: দেশের প্রতিটি সড়ক মহাসড়কে দুই, তিনচাকার মোটরযান চলাচল করার জন্যে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়েছে।তেমনি দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো সিলেট নগরীতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশ বেড়েছে। বাহনটি দিন দিন যেমন জনপ্রিয় হচ্ছে, এর চালকদের বিরুদ্ধে বেপরোয়া আচরণের অভিযোগও জোরালো হচ্ছে।

একই সঙ্গে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ঘটনার পরিসংখ্যানও ভারী হচ্ছে।মোটরসাইকেল চালকের পিছনে অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় মহিলারা বসে থাকেন।তাদের কাপড় চাকার সাথে ফেসে গেলে নিজেদের অসর্তকতার ফলে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।গতকাল সিলেটে একজন মহিলার মৃত্যুও হয়েছে একই কারনে।

যে কারণে এত বেপরোয়া হতে হয় সেগুলো হলো দ্রুতগতিতে কর্মস্থল বা কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছতে অনেকে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালায়। অনেক সময় আরোহীর সংখ্যা দুইয়ের বেশি হয়। মোবাইল ফোনে প্রচুর কথা বলে বাইকচালক ও আরোহীরা। এটাও দুর্ঘটনার কারণ। তীব্র যানজটে নগরীতে দ্রুতগতিতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের কোনো বিকল্প নেই। মোটরসাইকেল একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাহন। চার চাকার বাহনের তুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঝুঁকি ৩০ গুণ বেশি।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ পেলেই বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো কিংবা ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো নিত্যঘটনা।

পথচারীদের অভিযোগ, অনেক মোটরসাইকেল আরোহী ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো তাদের অধিকার বলে মনে করে। ঈদ বা কোনো উৎসবে নবীন বা অদক্ষ চালকরা বেপরোয়া গতিতে মোটরবাইক চালিয়ে থাকে। তীব্র হর্ন দিয়ে দ্রুতগতিতে ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চলার দৃশ্য যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। স্কুল, কলেজ,গুরুত্বপূর্ণস্থান অতিরিক্ত বিকট শব্দের হর্ন দেওয়া। অদক্ষ চালক, অবৈধ ওভারটেক, পুরনো যন্ত্রাংশ, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ড্রাইভ করতে থাকা প্রভৃতি কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা এ দুর্ঘটনা কমাতে চালক ও পথচারীদের আরো সতর্ক হতে হবে।

ছবি:এসএম আকবর আলী

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর