শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

ওজন স্কেলে পরিমাপের নামে হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি মালিকদের

ওজন স্কেলে পরিমাপের নামে হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি মালিকদের

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক :: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় দারোগাহাটে পণ্যবাহী গাড়ির ওজন স্কেলে পরিমাপের নামে হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছে আন্তঃজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি ও চট্টগ্রাম ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির যৌথ সংগঠন।

অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধে হুমকি দিয়েছেন তারা। বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

মহাসড়কে স্কেলে ওজন মাপার নামে পণ্যবোঝাই পরিবহনে হয়রানি, অবৈধ পরিবহন মালিক সমিতির নামে গণহারে চাঁদাবাজি ও যানজট নিরসনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিবহন মালিকদের যৌথ সমিতির আহ্বায়ক মো. নুরুল আবছার।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্থাপিত ওজন স্কেলকে ‘সর্বনাশা’ আখ্যায়িত করে তা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে তারা যমুনা সেতুর মতো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত স্কেল বসানোর আহ্বান জানান।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চট্টগ্রামের পরিবহন খাতকে হয়রানি ও বন্দরকে ধ্বংসের জন্য এ স্কেল বসানো হয়েছে। স্কেলের কারণে প্রতিদিন মাইলের পর মাইল ম্যারাথন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় বন্দরে মালপত্র খালাসের ওপর এর প্রভাব পড়ছে। এতে প্রচুর জ্বালানি তেলের অপচয় হচ্ছে।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, বন্দরের টোল রোডে প্রতিদিন ১০ হাজার পণ্যবোঝাই গাড়ি থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এ টাকার একটি অংশ কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও নেতাদের পকেটে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যৌথ সমিতির সদস্য সচিব দ্বীন মোহাম্মদ, সদস্য মো. আজিজুল হক, মনির আহমদ, মো. ফরিদ উদ্দিন, মোহাম্মদ সেলিম রেজা, সালেহ আহমদ, কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন






© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24