আজঃ ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১২:৪৩

এ এক অন্য বাংলাদেশ

Published: সেপ্টে ০৭, ২০১৮ - ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

ক্রীড়া ডেস্ক :: ম্যাচ শুরু হতে তখনও এক ঘণ্টা বাকী। ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রায় এক তৃতীয়াংশ গ্যালারি ভরে গেছে দর্শকে। সময় যতই ঘনিয়ে আসছে দর্শকে টইটুম্বুর গ্যালারিও। ম্যাচের ১০ মিনিট আগে স্টেডিয়ামজুড়ে উত্তাল দর্শক।

ততক্ষণে ড্রেসিং রুম থেকে ধীর পায়ে জামাল-সুফিল-তপুরা এগিয়ে আসছেন। লাল-সবুজদের দেখে গর্জনে কেঁপে উঠে দর্শকরা। আগাম অভ্যর্থনা জানায় ম্যাচ জিততে হবে।

গ্যালারির গর্জন অভ্যাহত থাকলো ম্যাচের শেষেও। রেফারির শেষ বাঁশিও ঠিক শুনতে পারা যায় নি স্টেডিয়ামের দর্শক জোয়ারে। ততক্ষণে পাকিস্তান বধে আনন্দের ঢেউ গ্যালারিজুড়ে। সঙ্গে দেশের পতাকা লহরে ভাসছে। সেই লহরীর সীমানা নেই। আনন্দের সীমা নেই।

দীর্ঘ সাত বছর পর পাকিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ। এতো অপেক্ষার অবসান ঘটলো সাফ ফুটবলে। নিজের মাটিতেই। ডিফেন্ডার তপু বর্মনের মাথা থেকে একমাত্র গোল থেকেই লাল-সবুজরা পেলো স্বস্তির জয়।

সেই জয়ে প্রেস বক্স থেকে গ্যালারি। সবখানেই আনন্দের লহরী। লাগামহীন উল্লাস। বুনো উল্লাস। এমন উল্লাস দেশের ফুটবল খুব কম সময়ই এসেছে। এমন দর্শক জোয়ার দেশের ফুটবলে অনেকদিন পর হয়েছে।

সেটাও ২০১০ সালের এস এ গেমসে। আয়োজক দেশ হিসেবে সেবার স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। তার পর থেকেই কেমন জানি দর্শক ভাটায় ভুগছিল স্টেডিয়াম। ফাঁকা দর্শকরা আবারও ফিরেছে স্টেডিয়ামে।

তাদের হতাশ করে নি জেমি ডে’র শিষ্যরাও। ভুটানের পর পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ের উল্লাসে মেতে উঠে প্রেস বক্সে থাকা সাংবাদিক, দর্শক, ফুটবল কর্মকর্তাসহ ফুটবলের প্রাণ দর্শক।

এ ধারা অব্যাহত থাকুক।

Facebook Comments

ক্রীড়া ডেস্ক :: ম্যাচ শুরু হতে তখনও এক ঘণ্টা বাকী। ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রায় এক তৃতীয়াংশ গ্যালারি ভরে গেছে দর্শকে। সময় যতই ঘনিয়ে আসছে দর্শকে টইটুম্বুর গ্যালারিও। ম্যাচের ১০ মিনিট আগে স্টেডিয়ামজুড়ে উত্তাল দর্শক।

ততক্ষণে ড্রেসিং রুম থেকে ধীর পায়ে জামাল-সুফিল-তপুরা এগিয়ে আসছেন। লাল-সবুজদের দেখে গর্জনে কেঁপে উঠে দর্শকরা। আগাম অভ্যর্থনা জানায় ম্যাচ জিততে হবে।

গ্যালারির গর্জন অভ্যাহত থাকলো ম্যাচের শেষেও। রেফারির শেষ বাঁশিও ঠিক শুনতে পারা যায় নি স্টেডিয়ামের দর্শক জোয়ারে। ততক্ষণে পাকিস্তান বধে আনন্দের ঢেউ গ্যালারিজুড়ে। সঙ্গে দেশের পতাকা লহরে ভাসছে। সেই লহরীর সীমানা নেই। আনন্দের সীমা নেই।

দীর্ঘ সাত বছর পর পাকিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ। এতো অপেক্ষার অবসান ঘটলো সাফ ফুটবলে। নিজের মাটিতেই। ডিফেন্ডার তপু বর্মনের মাথা থেকে একমাত্র গোল থেকেই লাল-সবুজরা পেলো স্বস্তির জয়।

সেই জয়ে প্রেস বক্স থেকে গ্যালারি। সবখানেই আনন্দের লহরী। লাগামহীন উল্লাস। বুনো উল্লাস। এমন উল্লাস দেশের ফুটবল খুব কম সময়ই এসেছে। এমন দর্শক জোয়ার দেশের ফুটবলে অনেকদিন পর হয়েছে।

সেটাও ২০১০ সালের এস এ গেমসে। আয়োজক দেশ হিসেবে সেবার স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। তার পর থেকেই কেমন জানি দর্শক ভাটায় ভুগছিল স্টেডিয়াম। ফাঁকা দর্শকরা আবারও ফিরেছে স্টেডিয়ামে।

তাদের হতাশ করে নি জেমি ডে’র শিষ্যরাও। ভুটানের পর পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ের উল্লাসে মেতে উঠে প্রেস বক্সে থাকা সাংবাদিক, দর্শক, ফুটবল কর্মকর্তাসহ ফুটবলের প্রাণ দর্শক।

এ ধারা অব্যাহত থাকুক।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর