আজঃ ১লা কার্তিক ১৪২৫ - ১৬ই অক্টোবর ২০১৮ - রাত ১১:৪৮

এসআইইউ শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগ, অভিবাবকদের ক্ষোভ!

Published: সেপ্টে ২৪, ২০১৮ - ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এসআইইউ) ২ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, বহিারাগত হামলাকারিদের শাস্তি এবং ভিসি, প্রক্টর, ট্রেজারার ও কনভোকেশন সহ সকল প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচী পালন করবেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে চলমান ছাত্রআন্দোলন থামাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বাসায় ফোন দিয়ে অভিবাবকদের তলব করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের হুমকি-দামকি ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে কতিপয় শিক্ষক আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের প্রতিপক্ষ সাজিয়ে দালাল বলে অখ্যায়িত করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে প্রচরণা চালাচ্ছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন সাধরণ শিক্ষার্থী ও অভিবাবক মহল। তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি দাবি মেনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় না ফেরায় তাহলে প্রয়োজনে অভিবাবকরা শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ততা পোষণ করে আন্দোলনে নামবেন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ‘যৌক্তিক’ দাবিগুলোর সাথে একাত্ততা পোষন করে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালটির প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি কতৃপক্ষের সামনে বহিারাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চলমান ছাত্রআন্দোলন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর মনির উদ্দিনের সাথে দেখা করতে যান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার আসার সময় ২০/২৫ জনের বহিরাগত একদল সন্ত্রাসী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও হয়। এ সময় তাদের হামলায় ৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এরপর থেকেই ফুঁসে ওঠে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সূত্র জানায়, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আভ্যন্তরীণ নানা সংকটের কারণে দীর্ঘদিন থেকে জটিলতা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ডীন সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে স্থায়ী নিয়োগ না থাকায় ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত ও দক্ষ শিক্ষকের অভাব। সবগুলো পদই চলছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়ে। ফলে যে সমস্ত শিক্ষার্থী সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ছি তাদের শিক্ষা জীবন আজ হুমকির মুখে।

এনিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে তার চাপে প্রশাসন আশ্বাস প্রদান করে যে, অচিরেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। কিন্তু আশ্বস্ত করার এতদিন পরেও যখন কোন সুরাহা হয়নি এবং প্রশাসন থেকে কোন যথোপযুক্ত বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছেনা তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও আন্দোলনে নামে।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এসআইইউ) ২ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, বহিারাগত হামলাকারিদের শাস্তি এবং ভিসি, প্রক্টর, ট্রেজারার ও কনভোকেশন সহ সকল প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচী পালন করবেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে চলমান ছাত্রআন্দোলন থামাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বাসায় ফোন দিয়ে অভিবাবকদের তলব করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের হুমকি-দামকি ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে কতিপয় শিক্ষক আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের প্রতিপক্ষ সাজিয়ে দালাল বলে অখ্যায়িত করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে প্রচরণা চালাচ্ছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন সাধরণ শিক্ষার্থী ও অভিবাবক মহল। তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি দাবি মেনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় না ফেরায় তাহলে প্রয়োজনে অভিবাবকরা শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ততা পোষণ করে আন্দোলনে নামবেন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ‘যৌক্তিক’ দাবিগুলোর সাথে একাত্ততা পোষন করে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালটির প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি কতৃপক্ষের সামনে বহিারাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চলমান ছাত্রআন্দোলন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর মনির উদ্দিনের সাথে দেখা করতে যান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার আসার সময় ২০/২৫ জনের বহিরাগত একদল সন্ত্রাসী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও হয়। এ সময় তাদের হামলায় ৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এরপর থেকেই ফুঁসে ওঠে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সূত্র জানায়, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আভ্যন্তরীণ নানা সংকটের কারণে দীর্ঘদিন থেকে জটিলতা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ডীন সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে স্থায়ী নিয়োগ না থাকায় ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত ও দক্ষ শিক্ষকের অভাব। সবগুলো পদই চলছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়ে। ফলে যে সমস্ত শিক্ষার্থী সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ছি তাদের শিক্ষা জীবন আজ হুমকির মুখে।

এনিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে তার চাপে প্রশাসন আশ্বাস প্রদান করে যে, অচিরেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। কিন্তু আশ্বস্ত করার এতদিন পরেও যখন কোন সুরাহা হয়নি এবং প্রশাসন থেকে কোন যথোপযুক্ত বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছেনা তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও আন্দোলনে নামে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর