আজঃ ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - দুপুর ২:১৩

ঈদযাত্রায় কমলাপুরে ট্রেন ছাড়ছে দেরিতে

Published: আগ ১৮, ২০১৮ - ১:১২ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: ঈদুল আযাহা উদযাপন করতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। তবে শনিবারও রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেন দেরিতে ছাড়ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

খুলনাগামী ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটির পৌনে দুই ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে গেছে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর বিলম্বে ছেড়েছে।

সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৬টা ২০ মিনিটে। এটি ছেড়ে যায় ৮টা ৫ মিনিটে।

আজ অতিরিক্ত চারটি স্পেশাল ট্রেন ঢাকা ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া আরও ৬৬টি ট্রেন ছেড়ে যাবে সারাদিনে।

প্ল্যাটফর্মে অবস্থানরত এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল খুলনা থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকায় আসার পথে একটি বগির চারটি চাকা লাইন থেকে সরে যায়।

ট্রেনটি আবার লাইনে তুলতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। এজন্য ট্রেনটি দেড় ঘণ্টা দেরিতে এসেছে বলে জানান তিনি।

ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ার ব্যাপারে খুলনাগামী কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ট্রেন ছাড়ছে। এসব দেখার মতো কেউ নেই। যাত্রীদের জন্য কেউ নেই। দুই-চার জন রেলওয়ে কর্মীর কাছে জানতে চাইলেও কিছু জানায়নি তারা যে, কেন দেরি হচ্ছে।

নীলসাগর ট্রেনটি সকাল ৮টায় কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি স্টেশনে এসে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে।

রংপুর এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি সকাল ৯টার সময় ছাড়ার কথা থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত স্টেশনেই আছে। ট্রেনটি ছাড়তে আরও দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্লাটফর্ম মাস্টার।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্টেশন মাস্টার মো. শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, যাত্রীদের কল্যাণেই ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে। কারণ মানুষ ওঠানামা করার জন্য প্রতি স্টেশনে দুই মিনিটের স্থানে পাঁচ মিনিট থামছে। এতে করে দেরি হচ্ছে।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: ঈদুল আযাহা উদযাপন করতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। তবে শনিবারও রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেন দেরিতে ছাড়ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

খুলনাগামী ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটির পৌনে দুই ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে গেছে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর বিলম্বে ছেড়েছে।

সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৬টা ২০ মিনিটে। এটি ছেড়ে যায় ৮টা ৫ মিনিটে।

আজ অতিরিক্ত চারটি স্পেশাল ট্রেন ঢাকা ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া আরও ৬৬টি ট্রেন ছেড়ে যাবে সারাদিনে।

প্ল্যাটফর্মে অবস্থানরত এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল খুলনা থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকায় আসার পথে একটি বগির চারটি চাকা লাইন থেকে সরে যায়।

ট্রেনটি আবার লাইনে তুলতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। এজন্য ট্রেনটি দেড় ঘণ্টা দেরিতে এসেছে বলে জানান তিনি।

ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ার ব্যাপারে খুলনাগামী কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ট্রেন ছাড়ছে। এসব দেখার মতো কেউ নেই। যাত্রীদের জন্য কেউ নেই। দুই-চার জন রেলওয়ে কর্মীর কাছে জানতে চাইলেও কিছু জানায়নি তারা যে, কেন দেরি হচ্ছে।

নীলসাগর ট্রেনটি সকাল ৮টায় কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি স্টেশনে এসে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে।

রংপুর এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি সকাল ৯টার সময় ছাড়ার কথা থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত স্টেশনেই আছে। ট্রেনটি ছাড়তে আরও দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্লাটফর্ম মাস্টার।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্টেশন মাস্টার মো. শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, যাত্রীদের কল্যাণেই ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে। কারণ মানুষ ওঠানামা করার জন্য প্রতি স্টেশনে দুই মিনিটের স্থানে পাঁচ মিনিট থামছে। এতে করে দেরি হচ্ছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর