আজঃ ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ১:৪৬

‘আরিফের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর সখ্যতা’

Published: জুলা ৩১, ২০১৮ - ১০:৪০ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: সদ্য সমাপ্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী এগিয়ে রয়েছেন। এতে আওয়ামী লীগের দলীয় দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। এছাড়া দলীয় একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন না। মন্ত্রীর এই অবস্থানে স্থানীয় আওয়ামী লীগে অনৈক্য দেখা দেয়। সেই সুযোগেই বিএনপির প্রার্থী সেখানে এগিয়ে রয়েছেন বলে একটি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে।

খবরে দেয়া বক্তব্যে আওয়ামী লীগের দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশন অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সিটি নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বহুমাত্রিক আবহাওয়ার মধ্যে পরিচালনা করা কঠিন। নির্বাচন কমিশন সেটা উৎরাতে পেরেছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝাপড়ার বিষয় আছে। বিএনপিকে মানুষ ভোট দেয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের একটা প্রত্যাশা ছিল বিএনপির অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জবাব ভোটাররা দেবে। সব জায়গায় তাই হয়েছে।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনে আমাদের কিছু সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ বিএনপির প্রার্থী নিয়ে নিয়েছে। তিনি একদিকে যেমন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখে উন্নয়ন কাজগুলো পরিচালনা করেছেন, অন্যদিকে তিনি আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছেন। আমরা ভোটে হেরে যাইনি, আমরা সঠিক পরিকল্পনায় হেরে গেছি। এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলো আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি, যে সমস্ত জায়গায় আমাদের দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো খুঁজে বের করে তা দূর করার জন্য আমরা কাজ করছি। শহর অঞ্চলে শিক্ষিত ভোটাররা একটা সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: সদ্য সমাপ্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী এগিয়ে রয়েছেন। এতে আওয়ামী লীগের দলীয় দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। এছাড়া দলীয় একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন না। মন্ত্রীর এই অবস্থানে স্থানীয় আওয়ামী লীগে অনৈক্য দেখা দেয়। সেই সুযোগেই বিএনপির প্রার্থী সেখানে এগিয়ে রয়েছেন বলে একটি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে।

খবরে দেয়া বক্তব্যে আওয়ামী লীগের দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশন অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সিটি নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বহুমাত্রিক আবহাওয়ার মধ্যে পরিচালনা করা কঠিন। নির্বাচন কমিশন সেটা উৎরাতে পেরেছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝাপড়ার বিষয় আছে। বিএনপিকে মানুষ ভোট দেয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের একটা প্রত্যাশা ছিল বিএনপির অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জবাব ভোটাররা দেবে। সব জায়গায় তাই হয়েছে।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনে আমাদের কিছু সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ বিএনপির প্রার্থী নিয়ে নিয়েছে। তিনি একদিকে যেমন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখে উন্নয়ন কাজগুলো পরিচালনা করেছেন, অন্যদিকে তিনি আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছেন। আমরা ভোটে হেরে যাইনি, আমরা সঠিক পরিকল্পনায় হেরে গেছি। এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলো আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি, যে সমস্ত জায়গায় আমাদের দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো খুঁজে বের করে তা দূর করার জন্য আমরা কাজ করছি। শহর অঞ্চলে শিক্ষিত ভোটাররা একটা সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর