মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন

আনন্দ-উৎসবে স্পেনের মাদ্রিদে বাংলা নববর্ষ উদযাপন 

আনন্দ-উৎসবে স্পেনের মাদ্রিদে বাংলা নববর্ষ উদযাপন 

কবির আল মাহমুদ:স্পেনের  রাজধানী মাদ্রিদে  অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে  নানা উদযাপনের মাধ্যমে বরণ করা হয়েছে বাংলা নববর্ষকে। বর্ষবরণ উপলক্ষে দূতাবাস ভবন ও হলরুমকে  আলপনা  এঁকে এবং রঙিন কাগজ, ফুল ও ব্যানার দিয়ে মনোরম সাজে সাজানো হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি, রাজনীতিবিদ ,ব্যাবসায়ী , দূতাবাসের  কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানমালায় যোগ দেন।

স্পেনে  নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত  হাসান মাহমুদ খন্দকার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্যে  তিনি বাংলা সনের উৎপত্তি ও নববর্ষ পালনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন বাঙালির সবচেয়ে বড় ও সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বিগত বছরের সকল দুঃখ-গ্লানি মুছে দিয়ে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি ও একতা প্রতিষ্ঠায় পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন।

দূতাবাসের মিনিস্টার ও হেড অব চ্যন্সেরি এম হারুন আল রাশিদ এর চঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মো. নাভিদ শফিউল্লাহ, প্রথম সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেতা জাকির হোসাইন , বোরহান উদ্দিন ,শেখ আব্দুর রহমান ,আব্দুল কায়ুম সেলিম ও ইসমাইল হোসাইন রায়হান প্রমুখ।

রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাপকভাবে সারাদেশে একযোগে পালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের ঘোষণার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যোগ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।এভাবেই বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ার এ বিষয়টিকে বহির্বিশ্বে গৌরবের ও গর্বের বিষয় হিসেবে তুলে ধরেন।পাশাপাশি তাঁরা আগামী তিন বছর এই ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।আর এ জন্য প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহবান জানান।

‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ বৈশাখী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি তুলে ধরে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বাংলাদেশি শিশুরা কয়েকটি নৃত্য ও সংগীত এবং আবৃত্তি পরিবেশন করন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুরুতে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সুস্বাদু  খাবার  পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের ভাত-মাছ, মাংস, সবজিসহ হরেক পদের ভর্তা ও অন্যান্য দেশীয় খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন






© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24